Wednesday, October 22, 2014

Khusita Aj Mon Metasay-(Pujar Gan-খুশিতে আজ মন মেতেছে)


খুশিতে আজ মন মেতেছে যাবো আমি সবই ভুলে
ঢাকের ওই বাদ্য শুনে মনটা আমার কেমন করে।
আজকে তোরা আমায় কেউ নজরবন্দি রাখিসনারে
আনন্দতে ভেসে যাবো নেইতো কোনো সীমানারে
প্রতিক্ষার অবসান এবার হল যে.....
মা এসেছে দেখ মা এসেছে
একটি বছর পরে আবার মা এসেছে
মা এসেছে দেখ মা এসেছে
মন্দিরেতে ঢাকের বাদ্য বেজে উঠেছে।
আজ প্রভাতে সবার আগে দেখবো আমার মাকে
দুঃখগুলো ঘুচে যাবে মায়ের মুখটা দেখে
পুষ্পমালা গেঁথেছি আজ দেবো মায়ের গলে
সুখেতে মন ভরে যাবে মায়ের আশীষ পেলে
মন্দিরেতে মায়ের সামনে করবো আরতি
মন্ত্র পড়ে পুরহিত মশাই জানাবে ভক্তি
ভাগ্য সবার খুলে যাবে শুভকামনায়
ছেলে-মেয়ে বুড়ো-বুড়ির আনন্দমেলায়


সুরকার, গীতিকার ও শিল্পী B Chandra
Studeo গীতাঞ্জলি
DownLoad









Tuesday, October 21, 2014

Abar Pujay SosurBari Jabo O Salika- এবার পূজায় শ্বশুর বাড়ি যাব ও শালিকা


এবার পূজায় শ্বশুর বাড়ি যাব ও শালিকা
তোর দিদিকে তুই দিবি কথা বলে ও শালিকা
কানেতে কানের সোনা বাহুতে সোনার বালা
খরচ দেবো যাবার ও শালিকা
তোর দিদিকে তুই দিবি কথা বলে ও শালিকা
মর্ডান কাটের ব্লাউজ দেবো হিল তোলা জুতা
লাল রঙের বেনারসি খাঁটি জরির সুতা
ও দিলাম তোমায় কথা ।।
প্রনাম দেবো মায়ের পায়ে, তোমাকে সাথে নিয়ে
ঘুরবো সারা বেলা ও শালিকা
তোর দিদিকে তুই দিবি কথা বলে ও শালিকা।
বলে দে-না তোর দিদিকে একটা গলার হার
কিনে দেবো এবার পূজায় মান করে না আর
যেন মান করে না আর ।।
আলতা পায়ে নূপুর পরে, দামী সোনার ঘড়ি হাতে
চল-বে হেলেদুলে ও শালিকা
তোর দিদিকে তুই দিবি কথা বলে ও শালিকা
এবার পূজায় বাপের বাড়ি পাঠবো যে তারে
মান অভিমান ভুলে যেন আমায় ক্ষমা করে
যেন আমায় ক্ষমা করে ।।
চোখে কাঁজল লিপিস্টিকে চোখে কাঁজল লিপিস্টিকে
যাবে বাপের বাড়ি সে ও শালিকা
তোর দিদিকে তুই দিবি কথা বলে ও শালিকা


গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী = B Chandra
Studio = গীতাঞ্জলি

DownLoad The Song
Abar Pujay SosurBari Jabo O Salika









Thursday, September 25, 2014

EiD & Pujar Special Song

পূজার স্পেশাল Song
1. Khusita Aj Mon Metasay. (DownLoad)
Puja Special Song
খুশিতে আজ মন মেতেছে ডাউনলোড

2. Abar Pujay SosurBari Jabo (DownLoad)
এবার পুজায় শ্বশুর বাড়ি যাব


EID Special Song

ঈদের স্পেশাল গান ডাউনলোড করুন
ডাউনলোড




Monday, May 19, 2014

গরম চা, কফি বা স্যুপ খেয়ে জিব পুড়ে গেলে যা করবেন।


আমাদের মুখগহ্বরের ঝিল্লি নিজে থেকেই এ ধরনের মৃদু পোড়া বা ছ্যাঁক লাগাকে প্রতিরোধ করতে পারেপ্রথমে জ্বালা করলেও তা অচিরেই সেরে যায়তবে গরম ছ্যাঁকা লাগার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি মুখে দিয়ে কুলি করলে আঘাত ও জ্বালা অনেক কমানো যায়পোড়ার মাত্রাও কমে আসেক্যানালগ ইন ওরাবেস নামের মলম একটি কটন বাড দিয়ে ধীরে ধীরে জিব ও ভেতরের পোড়া অংশে প্রলেপ দিয়ে দিলেও দ্রুত সেরে যায়

Monday, May 12, 2014

Male Impotency (টুথপেস্ট, সানস্ক্রিন ও সাবানে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব!)

একটু পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি থাকার জন্য মানুষ কত কিছুই না করেপরিপাটি জীবনযাপনের জন্য টুথপেস্ট থেকে শুরু করে সানস্ক্রিন ও সাবানের কোনো বিকল্প আছে বলে মনে হয় নাকিন্তু এসব প্রসাধনসামগ্রী আপনাকে শুধুই কি পরিচ্ছন্ন-পরিপাটি রাখে? নাকি ভেতরে ভেতরে ক্ষতি করছে? ভাবছেন টুথপেস্টের মতো প্রয়োজনীয় প্রসাধনসামগ্রীতে আবার ক্ষতির কী আছে? এমনটা ভাবলে ভুল করবেনবিশেষ করে পুরুষদের এমনটা ভাবাই যাবে নাটুথপেস্ট, সানস্ক্রিন ও সাবানের মতো প্রসাধনসামগ্রীগুলো অজান্তেই কিন্তু পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের জন্য অনেকটা দায়ীগালগল্প নয়, অনেক ঘেঁটেঘুঁটে এমন তথ্য দিয়েছেন গবেষকেরা একটি ইউরোপীয় সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাপত্র উদ্ধৃত করে আজ সোমবার দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এর এক খবরে বলা হয়, প্রসাধনী ব্যবহারে পুরুষদের খুব সাবধান হওয়া দরকার
জার্মানির বন শহরের টিমো স্ট্রাঙ্কার অব দ্য সেন্টার অব অ্যাডভান্স ইউরোপিয়ান স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চের দ্য ইএমবিও সাময়িকীতে ওই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব প্রসাধনসামগ্রী প্রস্তুতের সময় নন-টক্সিক রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, যা শুক্রাণু কোষকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করেআর ধীরে ধীরে তা পুরুষের বন্ধ্যাত্বের আশঙ্কাকে অনেক গুণ বাড়িয়ে তোলে
গবেষকেরা প্রথমে কয়েক বছর ধরে মরে যাওয়া শুক্রাণুর ওপর গবেষণা চালানপরে ওই গবেষণার ওপরে ভিত্তি করে তাঁরা পুরুষদের জন্য তৈরি করা প্রসাধনসামগ্রী নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছানএ ধরনের গবেষণা এটাই প্রথম
প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষকেরা খুব শিগগির ইউরোপের বাজার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে এ ব্যাপারে বিস্তারিত নথিপত্র উপস্থাপন করবেন এবং আবেদন জানাবেন যাতে পুরুষদের জন্য তৈরি করা প্রসাধনসামগ্রী বাজারে যাওয়ার আগে সেগুলোর বিষবিদ্যা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়যদি পরীক্ষায় শুক্রাণুর জন্য ক্ষতিকারক কোনো পদার্থের অস্তিত্ব মেলে, তবে ওইসব পণ্য ছাড় না করার সুপারিশ করবে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ
শুক্রাণু বিশেষজ্ঞ ও ডেনমার্কের কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের অধ্যাপক নেইলস স্কাক্কেবায়েক বলেন, ‘এই প্রথম আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহূত প্রসাধনসামগ্রীর সঙ্গে শুক্রাণুর জন্য ক্ষতিকারক এমন পদার্থের যোগসূত্র পেয়েছি
গবেষণায় দেখা গেছে, নিত্য ব্যবহার্য প্রসাধনসামগ্রীর প্রতি ৯৬টির মধ্যে ৩০টিতেই শুক্রাণুর জন্য ক্ষতিকারক পদার্থ রয়েছেএসব রাসায়নিক পদার্থ শুক্রাণুর ক্যাটস্পার আমিষকে নষ্ট করে দেয়এ আমিষটির ওপরে শুক্রাণুর মেয়াদ, গতিশীলতা এবং ডিম্বাণুর আবরণ ফেড়ে দেওয়ার সক্ষমতা নির্ভর করে
এডিনবার্গের দ্য মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল হিউম্যান রিপ্রডাক্টিভ সায়েন্সেসের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী রিচার্ড শার্প বলেন, গবেষণা নতুন এক দিকের উন্মোচন করলোনিত্য ব্যবহূত প্রসাধনসামগ্রী যে পুরুষদের প্রজননক্ষমতা ধ্বংসে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখে চলেছে, তা জানা সম্ভব হলো

সূত্র
prothom-alo

Monday, March 31, 2014

Teenage Depression- আমি অস্বস্তিতে ভুগি

সন্তানের ভাবনা

আমার বয়স ১২ থেকে ১৯-এর ভিতরে। আমার পরিবার আমাকে ভাল চোখে দেখে না। সবকিছু আমার ছোট ভাই-বোনদের বেশি বেশি দেয়। আমি বড় মেয়ে বলে আমাকে কম আদর করে। কেন আমি তাদের মত আদর-যত্ন পাব না?





অভিভাবকের ভাবনা

১।পরিবারের বড় যারা, অথা যারা অভিভাবক তারা মনে করেন সন্তান বড় হয়েছে তাই তারা বা তাদের দিকে বেশি নজর দেওয়ার দরকার নেই। অন্যরা যারা ছোট আছে তাদের প্রতি খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

২। তারা মনে করেন সে বড় হচ্ছে, ধীরে ধীরে বড় হবে আর যারা ছোট আছে তাদের মানুষ করা দরকার।

৩। ছোট তাই তাদের বেড়ে ওঠার জন্য বাড়তি খাবার দিতে হবে।

৪। পড়াশোনায় ভাল না করলেও ছোটদের ভাল বলতে হবে।

৫। চকলেট, আইসক্রিম, ভাল পোশাক এমনকি ডিম ভাঁজি, মাছের মাথা, মাংশ, ফল ইত্যাদি বেশি বেশি দিতে হবে।



যা প্রয়োজন

অভিভাবকের প্রতি:

১। আপনার একান্ত কর্তব্য আপনার সকল কন্যা সন্তানকে একই দৃষ্টিকোন থেকে দেখা।

২। প্রত্যেক সন্তানের দরকার বন্ধুশুলভ আচরশীল মা-বাবা। তাদেরকে স্নেহ-আদর দিতে হবে।

৩। ১২ থেকে ১৯ বছর বয়সী মেয়েদের দিকে বেশি বেশি খেয়াল রাখতে হবে। কারণ তারা অনেক কিছু জীবনে প্রথম দেখে থাকে। যেমন: মাসিক বা ঋতুস্রাব, ঘুমের ভিতর অদ্ভুত স্বপ্ন অথবা কেউ তাকে পিছন থেকে ধরার চেষ্টা করছে। এসকল বিষয় সম্পর্কে তাদের সচেতন করতে হবে।

৪। আপনার সন্তান যাতে ভালভাবে বড় হতে পারে সেদিকে আপনাকেই খেয়াল রাখতে হবে।



সন্তানের প্রতি:

১। তুমি দাদা-দাদী, নানা-নানী, দাদু-দিদিমা, ঠাকুরদাদা-ঠাকুরমা- মুরব্বিদের নিকট তোমার পিতা-মাতার নামে নালিশ করবে। বলবে, কেন তারা তোমার প্রতি এমনটি করছে?

২। নিজে নিজে সমাধান কর। প্রয়োজনে পিতা-মাতাকে বল, ওটা আমাকে দিতে হবে, যেটা আমার ছোট ভাইকে দিচ্ছ।

৩। তাদের বল, আমি কি পরগাছা? (লোকে ভাবছে আমি ছেলে মেয়েদের বেয়াদবী সেখাচ্ছি। তাহলে উত্তর দেবেন সেই ব্যক্তিগন--- পিতা-মাতারা সবই জানেন, তার ওটা-সেটা প্রয়োজন, তবে কেন দিচ্ছেন না তাকে সেগুলো? তাকে না দিয়ে তার চোখের সামনে ছোট ভাই-বোনকে দিচ্ছে। তারা কি অন্যায় করছে না?)

৪। প্রয়োজনে পিতা-মাতাকে মুখ ফুটে বল, মা/বাবা আমার এটা/ওটা লাগবে।( অবশ্যই বলতে হবে, যদি তারা বিবেকবান হয়ে থাকেন তবে অবশ্যই তোমার কথা বিবেচনা করবে।)

৫। মাসিক/ঋতুস্রাব এর পূর্বে কাপড়/ন্যাকড়া কাছে রাখবে। (যদি দামী জিনিস কেনা সম্ভব না হয়)

  

সন্তানের ভুল:

১। মেয়ে সারাদিন ঘুরে বেড়ায়। বেখেয়ালে থাকে। অথা লোকে তাকে খারাপ মেয়ে বলে আখ্যায়িত করে। যেমন: বাজে ছেলে-মেয়েদের সাথে মিশে, আড্ডা দেয়, রাত করে বাসায় ফেরে ইত্যাদি। তাদের উক্ত দাবি করা সাজে না।

২। তুমি আর্দশবান নও। পারিবারে কোন সাহায্য করনা।

৩। পিতা-মাতা তোমার কাছে যে প্রত্যাশা করে তা তুমি পুরণ কর না।

৪। অতিরিক্ত মোবাইল ফোনে গল্প/আড্ডা দাও।



পিতা-মাতার ভুল:

১। সন্তানের মানসিক/শারীরিক অক্ষমতার দিক বিবেচনা না করে তার উপর কোন কাজ চাপিয়ে দেওয়া।

২। সে ছোট কিন্তু তার মনের কথা বোঝার চেষ্টা করেন না।

৩। অবসর সময় তাকে কাছে ডেকে আদর করেন না।

৪। বাইরে বা বাজারে গেলে তাকে বলেন না, মামনি, তোমার কিছু লাগবে কি না?

৫। পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের কথা বলেন কিন্তু পড়ায় তার অসুবিধা হয় কি না জিজ্ঞাসা করেন না।

৬। সে যখন পড়ে তখন আপনারা/আশেপাশের কোন শব্দ/কোন ব্যক্তি তাকে ডিস্টাব/ বিরক্ত করে কি না দেখেন না।

৭। সন্তান পরীক্ষার সময় অসুস্থ্য ছিল তাই ফলাফল খারাপ হয়েছে অথচ আপনি তাকে গালি দিচ্ছেন/বকা দিচ্ছেন। (মনে রাখবেন, এমন বকাঝকা করার কারনে অনেক ছেলে-মেয়ে আত্মহত্যর পথ বেছে নেয়।)


এ বিষয়ে পরামর্শ:

১। কন্যা সন্তানেরা তাদের মনের কথা পিতা-মাতাকে বলতে সাহস পায় না তাই আপনাকে জিজ্ঞাসা করতে হবে, তার কোন ধরনের সমস্যা আছে।

২। আপনি (পিতা বা মাতা), সন্তানের পূর্বে পৃথিবীতে এসেছেন তাই আপনি জানেন এই বয়সে আপনারা কোন কোন ধরনের সমস্যা বা প্রাকৃতিক নিয়ম দেখেছেন বা উপলব্ধ করেছেন। সেই বিষয় সম্পর্কে তাদের কিছু ধারনা দেওয়া প্রয়োজন।

৩। সন্তানের অস্বাভাবিক আচনের প্রতি লক্ষ্য রাখুন।

৪। এসময় সন্তানের ভিতর ব্যক্তিত্ববোধ তৈরি হয় তাই আলাদা ঘর প্রয়োজন এবং দরজা-জানালা থাকতে হবে। অথবা একই ঘরে থাকলেও তাকে কিছুটা স্বাধীনতা দিতে হবে। যেমন: মেনস/ঋতুস্রাব/মাসিক এর সময় সে যাতে টয়লেট/বাথরুমে ভালভাবে যেতে পারে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ এসময় মেয়েরা লজ্জাবোধ করে। তারা মনে করে কেউ দেখে ফেলছে। হোকা না তারা মা-বাবা। তাদের অবশ্যই প্রাইভেট ব্যাপার থাকতে পারে।

৫। মেয়েরা এই বয়সে দোকান থেকে টিস্যুপেপার, পেন্টি অথবা মাসিক/ঋতুস্রাবচোষক টিস্যু (সেনোরা,হুইসপা ইত্যাদি) কিনতে পারে না, লজ্জা পায়। আপনি তাদের কিনতে বলুন (প্রয়োজনীয় টাকা প্রদান করুন)অথবা সবচেয়ে ভাল হয় আপনি যদি নিজে তাকে কিনে দেন। তাতে সন্তান বুঝতে পারবে তার প্রতি মা-বাবা যত্নশীল।

৬। একই খাবার সবাইকে দিবেন যাতে সন্তান আপনার মুখের উপর বলে না বসে, আমি কি তোমাদের সতমেয়ে

৭। একই খাবার না দিতে পারলে তাদের বলুন= আজকে তাকে দিচ্ছি কাল তোকে দেব। অথবা এ-টুকু নাও! সে বা তারা ছোট, ওরা না হয় একটু বেশি খেল! এভাবে বুঝিয়ে বলুন।


 ডা: বিধান চন্দ্র মন্ডল



Friday, March 28, 2014

Menstruate at Teenage-বয়ঃসন্ধিতে মাসিকের সূত্রপাত

প্রত্যেক নারীকে অবশ্যই নিজের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। বয়ঃসন্ধিতে একজন কিশোরীর শরীর ও মনে ঘটে যায় নানা পরিবর্তন। এর মধ্যে অন্যতম হলো মেনার্ক বা মাসিকের সূত্রপাত। এ সময় এই বয়সে ৫ থেকে ১০ শতাংশ কিশোরী মাসিকের সময় তলপেটে অসহ্য ব্যথার অভিযোগ করে থাকে। কেউ কেউ স্কুল বা কাজকর্ম ছেড়ে প্রায় শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে। মাসিক শুরুর প্রথম এক-দুই বছরে এ সমস্যা সবচেয়ে প্রকট থাকে। মাসিকের সময় জরায়ুর পেশির অস্বাভাবিক সংকোচন এই ব্যথার জন্য দায়ী। ব্যথা ও আনুষঙ্গিক উপসর্গ কিশোরীরা মাসিক শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে থেকে তলপেটে ব্যথা, যা কোমর ও ঊরুর ওপর অংশে ছড়ায়, সঙ্গে বমি ভাব, অরুচি, দুর্বলতা, মাথাব্যথা, খিটখিটে মেজাজ ইত্যাদিতে আক্রান্ত হয়। কারও এক-দুই দিনের ডায়রিয়াও হতে পারে। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ, যেমন আসন্ন পরীক্ষা, ভ্রমণ ইত্যাদি এই উপসর্গ বাড়িয়ে দেয়। দুশ্চিন্তার কিছু নেই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো বিষয়টি সম্পর্কে দুশ্চিন্তা ও আতঙ্ক কমে যেতে থাকে এবং বেশির ভাগ উপসর্গ কমে আসে। এ ছাড়া সন্তান প্রসবের পর জরায়ুমুখ প্রসারিত হলেও ব্যথা চলে যায়। এ সমস্যার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার তেমন কোনো প্রয়োজন নেই। চিকিৎসার প্রথম ধাপ হলো বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নেওয়া ও দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা। পুষ্টিকর খাবার ও প্রচুর তরল খাবার দিন এ সময়। স্বাভাবিক কাজকর্মে উৎসাহ দিন। তবে ব্যথা প্রচণ্ড ও দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।


পরামর্শ:

১। পিতা-মাতার দায়িত্ব সন্তানকে বুঝিয়ে বলা। তারা যাতে এটাকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বলে মনে করে সেজন্য সচেতন করা। সন্তানকে মাসিকের সময় প্রয়োজনীয় উপকরণ, যেমন: ন্যাকড়া/টিস্যু/স্রাবচোষক ইত্যাদি কিনে দেওয়া।

২। তোমরা (মেয়েরা) এই বিষয় নিয়ে ভয় পাবে না। এটা একটা প্রাকৃতিক নিয়ম। সব মেয়েরাই এই (১২ থেকে ১৯ বছর) বয়স থেকে এই নিয়মের অধীনে চলে আসছে এবং আসবে। তবে কেউ কেউ ১২ বছরের আগেও অথবা ১৪/‌১৫ বছরের পরেও এই নিয়মের অধীনে আসতে পারে।