ব্রণ
ব্রণ একটি সাধারণ সমস্যা। সাধারণত ১৬-১৭ বছর
বয়সে এটি দেখা দেয় এবং অনেক বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। করো কারো অল্পদিনেই মিলিয়ে
যায়। আবার বয়সের বিভিন্ন সময় এটি দেখা দিতে পারে।
কেন হয়
অ্যানড্রোজেন হরমোনের আধিক্যের কারণে সাধারণত হয়ে থাকে। তেল বা ক্রিমের জন্যও ত্বকে ব্রণ হতে পারে। এ ছাড়া কিছু বিশেষ ধরনের ওষুধের কারণেও হতে পারে।
উপসর্গ
* ব্রণে অল্প ব্যথা হতে পারে।
* চুলকানি এবং ক্ষত হতে পারে।
* লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে গেলে সিবাসিয়াস গ্ল্যান্ডের সিক্রেশন জমা হয়েও ব্রণ হয়।
প্রতিরোধ
* ব্রণের ক্ষতগুলোতে যাতে ইনফেকশন না হয় সে জন্য তাতে নখ দিয়ে খোঁটা যাবে না।
* মুখ পরিষ্কার রাখতে হবে।
* প্রসাধনী ব্যবহারের সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

কেন হয়
অ্যানড্রোজেন হরমোনের আধিক্যের কারণে সাধারণত হয়ে থাকে। তেল বা ক্রিমের জন্যও ত্বকে ব্রণ হতে পারে। এ ছাড়া কিছু বিশেষ ধরনের ওষুধের কারণেও হতে পারে।
উপসর্গ
* ব্রণে অল্প ব্যথা হতে পারে।
* চুলকানি এবং ক্ষত হতে পারে।
* লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে গেলে সিবাসিয়াস গ্ল্যান্ডের সিক্রেশন জমা হয়েও ব্রণ হয়।
প্রতিরোধ
* ব্রণের ক্ষতগুলোতে যাতে ইনফেকশন না হয় সে জন্য তাতে নখ দিয়ে খোঁটা যাবে না।
* মুখ পরিষ্কার রাখতে হবে।
* প্রসাধনী ব্যবহারের সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
নিয়মিত প্রচুর শাকসবজি ও পানি খেতে হবে এবং নিয়মিত
সাবান ও পানি দিয়ে ভালো করে হাত
ধুতে হবে। এ ছাড়া ব্যায়াম করলে কিছু উপকার পাওয়া যায়। এরপরও
সমাধান না হলে
চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করতে হবে।
Helpful to the younger. Thanks! Exclusive Poem
ReplyDelete