Sunday, December 13, 2015

The Ability For Job- চাকরির যোগ্যতা বিচার!


কষ্ট করে মার্ষ্টাস পাশ করে আপনি আজ যোগ্যতাহীন, পথে পথে ঘুরে বেড়ানো পথিক। কতকগুলো চাকরিতে আপনি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা দিয়েছেন বটে কিন্তু চাকরি মেলেনি।
ভাবতে অবাক লাগে, আপনি এখনো যোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হননি।
বিনা খাটুনিতে মার্ষ্টাসের সার্টিফিকেট আপনার হাতে আসেনি। অথচ এখনো আপনি চাকরির পরীক্ষা দিয়েই চলেছে। ধন্যবাদ!
আশা থাকা ভাল।

বর্তমান সৃজনশীল পড়া-শুনাই উপযুক্ত এবং তারাই চাকরির সুফল ভোগ করবে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, ঘুষ কে খাবে?

মেধার বা যোগ্যতার বিচার হয়ঃ
১। লিখিত পরীক্ষার নম্বর দিয়ে। (শিক্ষাগত সার্টিফিকেট নগণ্য)
২। মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল দিয়ে। (মার্কশিট মূল্যহীন)
৩। টাকার বা মামার জোর দিয়ে। (দরিদ্র প্রার্থি এনজিও খোঁজ করুন)
৪। ৫বছরের অভিজ্ঞতা দিয়ে। (আপনি সবে পাশ করেছেন)

বোকার মত প্রশ্ন করি?

এত পড়ে হবে কি? পড়া তো শুরু হয় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার শেষে, তাই নয় কি?









Saturday, December 12, 2015

Love Is A Social Diseases - প্রেম-ভালবাসা একটি সামাজিক ব্যাধি!


যদি কেউ প্রেম নামক এই ব্যাধি থেকে মুক্ত হতে চান তবে সচেতন হোন।

কেন?
১। আপনি যাকে ভালবাসেন, তার পিতা-মাতা কি জানে? (না)
তাহলে তাঁরা মেনে নেবেন না। কারণ পিতা-মাতা চায় তাঁর সন্তানকে তাঁরা নিজে থেকে পাত্র-পাত্রী দেখে বিয়ে দেবেন। এ-ক্ষেত্রে পিতা-মাতার সাথে আপনার দ্বন্দ্ব বাঁধবে। শুরু হল পারিবারিক ফ্যাসাদ। পড়তে চাইলে আজই প্রেম পড়ুন! আমি বাঁধা দেব না, আর আমি বাঁধা দেওয়ার কে?

২। প্রেমকে স্বীকৃত করতে আপনাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে? (না)
তাহলে আপনাকে বাড়ি ছাড়তে হবে। আপনার বাড়িতে আপনার জায়গা নেই। আপনি পিতা-মাতার অবাধ্য বা তাদের মানেন না। মানে সংসারে অশান্তি শুরু হল। শুরু করল কে?

৩। আপনি বাড়ি থেকে বাইরে বা বিতাড়িত হতে চান? (না)
আপনাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হবে। নয়তোবা উঠতে দেওয়া হবে না। সময় থাকতে সর্তক হোন। কারণ আপনি চাইবেন প্রেমকে স্বীকৃতি দিতে। কিন্তু সমাজ বা পরিবার চাইবে না। আবার দ্বন্দ্ব শুরু হল।

৪। প্রেম আবেগের নয় কি? (না)
তাহলে খাইছেন ধরা। আপনার প্রেমকে সমাজ বা পিতা-মাতা আবেগ বলে গন্য করবে। এবং সত্যিই প্রেম আবেগের বা স্নায়ুর অনুভুতি। এই প্রেমের তাড়নায় যারা ঘর ছেড়ে দেয় তাদের অনেক কষ্ট করে জীবন চলতে হয়। বেশির ভাগ ছোট ছোট বা অল্প বয়সের ছেলে-মেয়েরা এই ধরনের কাজে লিপ্ত হয়।

৫। আপনি কি গোপনে গোপনে কাঁদতে বা কষ্ট পেতে চান? (না)
কত ছেলে বা কত মেয়ে আপনাকে ঠকাবে আপনি নেই জানেন না। আপনার সকল সম্মান হারাবেন তারপরও আপনি বলবেন আমার তো কিছুই হয়নি! আমি সুস্থ্য ও স্বাভাবিক আছি। কিন্তু না আপনি সব হারালেন। বুঝে উঠতে পারছেন না এখনো ক্ষতিটা কোথায় হচ্ছে? হচ্ছে আপনার চরিত্রের।
প্রস্তুত থাকুন আপনার সন্তানও একদিন এমন করবে। আপনি কি মানতে পারবেন? অবশ্য আপনার ব্যাপার।


প্রেম না করার সুফলঃ
উল্লেখিত কোন সমস্যা ঘটবে না।


আমি যাকে চিনিনা বা জানিনা তাকে কিভাবে বিয়ে করবো?
আপনার কথার পক্ষে ৫% এক মত। কিন্তু ১০০% সঠিক হবে বিয়ের পূর্বে আপনাদের দেখা স্বাক্ষাত যা পিতা-মাতা কতৃক আয়োজিত হবে তাতে উভয়পক্ষ মত বা রাজি হলে, নিজেরা প্রেম করতে পারেন বা জানা-শুনা করতে পারেন।
তবে এখানে একটা ভুল আছে!
বেশি জানা-শুনা করতে গেলে, কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের হবে। (মানে)
যদি একটু আধটু ভুল বা দোষ পাত্র-পাত্রীর থাকে তাতে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়ে থাকে।

অতএব পিতা-মাতাকে নিয়ে মেয়ে বা ছেলে দেখে পছন্দ করে বিয়ে করলে, টুকিটাকি সমস্যা সমস্যা বলে মনে হবে না। কারণ বাস্তবে প্রত্যেক মানুষের কিছুনা কিছু ত্রুটি থাকে যা মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু অবিবাহীত অবস্থায় তা জানতে পারলে কেউ মেনে নিতে পারে না।
বলে, তোমার এই সমস্যা- তোমার সেই সমস্যা, তোমাকে বিয়ে করবো না। এইবার বুঝন ঠেলা!
কান্নাকাটি ছাড়া পথ আছে? না নেই।

এই ব্যাধি চলতে থাকবে। আপনি নিজেকে পরিবর্তন না করলে এই ব্যাধি আপনার সন্তানের উপর পড়বে। আপনি বলতে আমি তাকেই বুঝাচ্ছি যিনি প্রেম করেছেন বা করছেনছেলে-মেয়ে উভয়কেই।



প্রেমে পড়লে বড় ভুলঃ
আপনি প্রেমে পড়লে দেখবেন, ছেলে অথবা মেয়ের কোন দোষ নেই। সাধু বা পবিত্র মানুষ সে। কিন্তু কেউ কেউ তো খারাপ ব্যাক্তি হতে পারে।
যদি বলেন আমি মানুষ বুঝি, তাহলে ভুল করবেন। প্রেমের ক্ষেত্রে মানুষের আসল রূপ চেনা যায় না। আপনি আবেগে অন্ধ হয়ে পড়বেন। আর সেও নিজেকে ভাল বলে দাবী করবে। (সত্যিকার অর্থে ভাল মানুষ থাকতেও পারে তবে খুঁজে পাওয়া কষ্টকর)। যারা ধরা খেয়েছেন তারাই আমার কথার মানে বুঝবে।


আমি চাই আপনি এই ব্যাধি থেকে মুক্ত হোন। আপনার ছোট ভাই-বোনদের বলুন এই অসুখে না পড়তে। তাতে আপনার পরিবার সুস্থ্য থাকবে।
নইলে আপনি প্রস্তুত হন আপনার সন্তানও সেই কাজ করবে। কারণ বেশির ভাগ ছেলে-মেয়ে শিক্ষা গ্রহণ করে পিতা-মাতা থেকে।


লেখাটি পড়ে ভাল লাগলে অন্যদের বলতে পারেন। কারণ আপনার সিদ্ধান্ত ভুল হলে তার বোঝা বইবে আপনারই কোন বোন/ভাই অথবা আত্মীয়।

ধন্যবাদ লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য!!!
অভিজ্ঞতা থেকে বলছি!







Thursday, March 26, 2015

How to Make Your Decision-কিভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন!

মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় “সিদ্ধান্ত গ্রহণ”। কিন্তু সেখানেই বিপদ ওৎ পেতে বসে আছে। কি জানি কোন সমস্যা এসে উপস্থিত হয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পর।

সত্যিই তাই! বিভিন্ন সমস্যা বা বিপদ আসতে পারে একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকলে। তাহলে কি উপায় হতে পারে এই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে!

কিভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে!

যেভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারেঃ

১। সিদ্ধান্তের বিষয়টি একটি কগজে লিখে ফেলুন।
২। আপনার মনের মত ৩টি সম্ভব্য সিদ্ধান্ত সিরিয়াল/ক্রমানুসারে লিখুন।
    (ক) --------------, (খ) --------------, (গ) ---------------
৩। যে সিদ্ধান্তটি কম ক্ষতিকর এবং বেশি উপকারী সেটি গ্রহণ করুন।
৪। আপনি জেনে-শুনে সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন তাই উপকার বা অপকারের জন্য প্রস্তুত থাকুন এবং মেনে নিন।

যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভুল হয় তবে কি করণীয়?

উপরের সকল বিষয়টি অথাৎ ১-৪ পর্যন্ত নিয়ম পুনরায় অনুসরণ করুন।
আপনার এভাবে নির্ধারিত সিদ্ধান্তটি অধিকাংশই সঠিক ও সফল হবে।



আপনার সিদ্ধান্ত হোক “মানব কল্যাণের”। তাহলে নিশ্চই সৃষ্টিকর্তা আপনার সহায় হবেন।



Tuesday, March 24, 2015

Never Alone Time Of Distress - দুঃসময়ে একা থাকবেন না!


কখনো কখনো মানুষ একাকা জীবন যাপন করে থাকে। তবে মানুষ স্বভাবতই সঙ্গপ্রিয়। তাই অবশ্যই তাকে কাউকে না কাউকে নির্ভর/বিশ্বাস করতে হয়। হতে পারে সে বন্ধু বা আত্মীয় অথবা বাবা-মা অথবা মনের মানুষ।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় একাকি থাকার কারণে অনেক শিশু তার নিজের পিতা-মাতাকেও মেনে নিতে পারে না। তারা ভেবে নিতে বাধ্য হয় যে, তাদের পিতা-মাতা নেই। আপনার শিশু এমন নয়তো?
খুব দ্রুত সিন্ধান্ত নিয়ে দেখুন। এমনটি হলে আজই তার সঙ্গ দিন, তাকে ভালবাসুন।


দুঃসময় একা থাকলে যা হতে পারেঃ

১। দুঃসময়ে একা একা থাকলে দুঃশ্চিন্তা বাড়ে।
২। নিজেকে অনেক ছোট মনে হয়।
৩। জীবনের প্রতি ঘৃণা জন্মে।
৪। আত্মহত্যার প্রবণতা থাকে।
৫। মনো বিকার বা উন্মাদ হয়ে যেতে পারে।
৬। শক লাগলে নিজেকে ক্ষত-বিক্ষত করতে পারে।
৭। পৃথিবীকে নশ্বর মনে হয়।
৮। নিজের জীবন মূল্যহীন মনে হয়।
৯। হতাশায় নিমজ্জিত হয়।
১০। এমনকি বিধাতার উপরও ক্লেশ জন্মায়।

আপনার করণীয়ঃ

১। নিজের মনের মত কাউকে খুঁজে নেওয়া।
২। পুরনো কোন স্থানে ঘুরতে যাওয়া।
৩। একা একা অথবা কাউকে নিয়ে চাইনিজ/রেস্টুরেন্টে যাওয়া।
৪। সিনেমার গান শোনা।
৫। কোন পবিত্র স্থান ভ্রমন করা।
৬। ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠ করা।
৭। মানুষ সৃষ্টি সেরা জীব, সে কথা ভুলে না যাওয়া।
৮। নিজেকে একজন মূল্যবান মানুষ ভাবা।
৯। অন্যকে সৎ উপদেশ দিতে পারেন।
১০। মানুষকে জীবন যুদ্ধে অবশ্যই অংশগ্রহন করতে হয়, তা বিশ্বাস করা।

আর নয় দুঃশ্চিন্তা, আর নয় অহেতুক পড়ে থাকা। এখনিই গর্জে ওঠার সময়। তোমার-আমার, আপনার প্রত্যেকের জীবনে আসতে এমনই দুঃসময়। তাই নিজে থেকে নিজে প্রস্তুত করুন। যুদ্ধে আপনার জয় অবসম্ভাবী।

শুভ হোক আপনার পথ চলা!!


Friday, January 16, 2015

Coconut trees are not cut, why? নারকেল গাছ কাটা উচিত নয় কেন?


নারকেল গাছ যথেষ্ট মূল্যবান। বহুবছর ধরে এ গাছ আমাদের ফল দেয়, যা অর্থনৈতিক দিক থেকে আমাদের সাহায্য করে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বাজ পড়লে তা এই গাছের উপর দিয়ে যায়। ফলে মানুষের জীবন রক্ষা হয়। কিন্তু যদি তুচ্ছ কারণে এ গাছ কেটে ফেলার সুযোগ সবাই পায় তাহলে মানুষকে অসুবিধায় পড়তে হতে পারে।


Tuesday, January 13, 2015

Kidney, Stone -কিডনি পাথর লক্ষণ ও প্রতিকার


Kidney
কিডনি বা বৃক্ক মানুষের দেহের গুরত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর একটিমানুষের দুটি কিডনি থাকে যেগুলোর প্রতিটি পিঠের দুই পাশে কিছুটা নিচের দিকে অবস্থিত কিডনি দেহের রক্তকে পরিশোধিত করে ও দেহ থেকে বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাসনে সাহায্য করেআর এই কিডনিরই বিভিন্ন সমস্যাগুলোর একটি হচ্ছে কিডনিতে পাথর জমে যাওয়াকিডনির পাথর মূলত মানুষের মূত্রে সৃষ্ট বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ থেকে সৃষ্টযখন মানুষের দেহে মূত্র কম উৎপন্ন হয় আর অনেক বেশি পরিমাণে বর্জ্য তৈরি হয়ে থাকে, তখন এই রাসায়নিক পদার্থগুলো জমে ক্রিস্টাল বা স্ফটিকের আকার ধারণ করে
কিডনি পাথরের প্রকারভেদ
কিডনির পাথর বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকা ও তাদের রাসায়নিক গঠনও ভিন্নআর এটির উপর ভিত্তি করেই নির্ধারণ করা হয় যে রোগীর কি ধরণের চিকিৎসা প্রয়োজন পৃথিবীর অন্তত ১০ ভাগ মানুষের জীবনে কিডনিতে পাথর জমার ঘটনা ঘটতে পারে চলুন জেনে নেয়া যাক কি কি ধরণের পাথর কিডনিতে তৈরি হতে পারে-
(১) ক্যালসিয়াম দিয়ে গঠিত কিডনি পাথর সবচেয়ে বেশি দেখা যায়আর এগুলো মূলত গঠিত হয় ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ ক্যালসিয়াম অক্সালেট কিংবা ক্যালসিয়াম ফসফেট দ্বারা
(
২) মূত্রে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে তৈরি হয় ইউরিক এসিডে তৈরি পাথর পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন মাছ বা মাংসতে প্রচুর পরিমাণে পিউরিন থাকেএই পিউরিনের কারণে মূত্রে ইউরিক এসিডের মারা বেড়ে যায়
(
৩) জিনগত সমস্যার কারণে সিস্টিন পাথর তৈরি হয় কিডনিতে
(
৪) সংক্রমিত কিডনি ও মূত্রথলি থেকে সৃষ্ট Struvite পাথর
লক্ষণ
কিডনিতে জমে যাওয়া পাথর আকারে খুব ছোট হলে বেশিরভাগে সময়ই সেটি মূত্রের সাথে বের হয়ে যায়মাঝারি থেকে বড় আকারের কিডনি পাথরগুলো কিডনি থেকে মূত্রনালির দিকে অগ্রসর হতে থাকে ও আটকে যায়এর ফলে পিঠের দুদিকেই প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়ধীরে ধীরে ব্যথা সারা শরীরে ছড়িয়ে যেতে থাকে ব্যথা ২০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়অন্যান্য লক্ষণগুলোর মাঝে আছে বমি, ডায়রিয়া, জ্বর, প্রস্রাবের সাথে রক্তপাত ও মূত্রত্যাগের সময় জ্বালাপোড়া করা

কিডনিতে পাথর তৈরি হয় কেন?
পরিবারের একজন সদস্যের কিডনিতে পাথর হলে সেই পরিবারের অন্য সদস্য বা তার বংশধরদের কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশিপ্রচুন পরিমাণ লবণ, চিনি কিংবা চর্বিসমৃদ্ধ খাবার কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয় বহুগুণেএছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, মূত্রথলিতে সংক্রমণ, স্থূলতা, অন্ত্রের বিভিন্ন রোগের কারণেও কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে
চিকিৎসা
কিডনির পাথর দূর করার কয়েকটি ধাপ রয়েছেপ্রথম ধাপ হচ্ছে, কিডনি, মূত্রথলি বা মূত্রনালিতে জমে থাকা পাথর অপসারণ করাদ্বিতীয় ধাপ, ব্যথার উপশম ঘটানোতৃতীয়, ভবিষ্যতে যাতে আবারো পাথর না জমতে পারে সেই বিষয় পদক্ষেপ নেয়াপাথর খুব ছোট হলে রোগীকে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে বলা হয় যাতে পাথরটি মূত্রের সাথে বেরিয়ে যেতে পারেব্যথা উপশমের জন্য ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করতে বলা হয়আর পাথর যদি বেশ বড় আকারের হয় সেক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার করতে হয়

প্রতিরোধ করুন
দৈনন্দিন খাদ্যাভাসে কিছু ব্যপার মেনে চললে খুব সহজেই কিডনিতে পাথরের সমস্যা এড়ানো যেতে পারেপ্রচুর পরিমাণে পানি পান করা হচ্ছে অন্যতম প্রধান উপায়এছাড়া কিডনিতে যদি ক্যালসিয়াম গঠিত পাথর তৈরি হয় সেক্ষেত্রে প্রতিদিনের খাবার থেকে লবণের পরিমাণ কমাতে হবে ২০০ মিলিগ্রাম করে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবেচর্বি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিতভিটামিন সি কিডনিতে পাথর সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে, তাই এই ভিটামিনটির ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করা উচিতএছাড়া শরীরের ওজন বেড়ে গেলে তা কমানোর ব্যপারে সচেতন হতে হবে

Friday, January 9, 2015

Boil/Bron/Acne Problem - ব্রণ সমস্যা ও প্রতিরোধ

ব্রণ
ব্রণ একটি সাধারণ সমস্যা। সাধারণত ১৬-১৭ বছর বয়সে এটি দেখা দেয় এবং অনেক বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। করো কারো অল্পদিনেই মিলিয়ে যায়। আবার বয়সের বিভিন্ন সময় এটি দেখা দিতে পারে।

কেন হয়
অ্যানড্রোজেন হরমোনের আধিক্যের কারণে সাধারণত হয়ে থাকেতেল বা ক্রিমের জন্যও ত্বকে ব্রণ হতে পারেএ ছাড়া কিছু বিশেষ ধরনের ওষুধের কারণেও হতে পারে
উপসর্গ
*
ব্রণে অল্প ব্যথা হতে পারে
*
চুলকানি এবং ক্ষত হতে পারে
*
লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে গেলে সিবাসিয়াস গ্ল্যান্ডের সিক্রেশন জমা হয়েও ব্রণ হয়
প্রতিরোধ
*
ব্রণের ক্ষতগুলোতে যাতে ইনফেকশন না হয় সে জন্য তাতে নখ দিয়ে খোঁটা যাবে না
*
মুখ পরিষ্কার রাখতে হবে
*
প্রসাধনী ব্যবহারের সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে
নিয়মিত প্রচুর শাকসবজি ও পানি খেতে হবে এবং নিয়মিত সাবান ও পানি দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে হবেএ ছাড়া ব্যায়াম করলে কিছু উপকার পাওয়া যায় এরপরও সমাধান না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করতে হবে