Thursday, March 26, 2015

How to Make Your Decision-কিভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন!

মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় “সিদ্ধান্ত গ্রহণ”। কিন্তু সেখানেই বিপদ ওৎ পেতে বসে আছে। কি জানি কোন সমস্যা এসে উপস্থিত হয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পর।

সত্যিই তাই! বিভিন্ন সমস্যা বা বিপদ আসতে পারে একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকলে। তাহলে কি উপায় হতে পারে এই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে!

কিভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে!

যেভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারেঃ

১। সিদ্ধান্তের বিষয়টি একটি কগজে লিখে ফেলুন।
২। আপনার মনের মত ৩টি সম্ভব্য সিদ্ধান্ত সিরিয়াল/ক্রমানুসারে লিখুন।
    (ক) --------------, (খ) --------------, (গ) ---------------
৩। যে সিদ্ধান্তটি কম ক্ষতিকর এবং বেশি উপকারী সেটি গ্রহণ করুন।
৪। আপনি জেনে-শুনে সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন তাই উপকার বা অপকারের জন্য প্রস্তুত থাকুন এবং মেনে নিন।

যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভুল হয় তবে কি করণীয়?

উপরের সকল বিষয়টি অথাৎ ১-৪ পর্যন্ত নিয়ম পুনরায় অনুসরণ করুন।
আপনার এভাবে নির্ধারিত সিদ্ধান্তটি অধিকাংশই সঠিক ও সফল হবে।



আপনার সিদ্ধান্ত হোক “মানব কল্যাণের”। তাহলে নিশ্চই সৃষ্টিকর্তা আপনার সহায় হবেন।



Tuesday, March 24, 2015

Never Alone Time Of Distress - দুঃসময়ে একা থাকবেন না!


কখনো কখনো মানুষ একাকা জীবন যাপন করে থাকে। তবে মানুষ স্বভাবতই সঙ্গপ্রিয়। তাই অবশ্যই তাকে কাউকে না কাউকে নির্ভর/বিশ্বাস করতে হয়। হতে পারে সে বন্ধু বা আত্মীয় অথবা বাবা-মা অথবা মনের মানুষ।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় একাকি থাকার কারণে অনেক শিশু তার নিজের পিতা-মাতাকেও মেনে নিতে পারে না। তারা ভেবে নিতে বাধ্য হয় যে, তাদের পিতা-মাতা নেই। আপনার শিশু এমন নয়তো?
খুব দ্রুত সিন্ধান্ত নিয়ে দেখুন। এমনটি হলে আজই তার সঙ্গ দিন, তাকে ভালবাসুন।


দুঃসময় একা থাকলে যা হতে পারেঃ

১। দুঃসময়ে একা একা থাকলে দুঃশ্চিন্তা বাড়ে।
২। নিজেকে অনেক ছোট মনে হয়।
৩। জীবনের প্রতি ঘৃণা জন্মে।
৪। আত্মহত্যার প্রবণতা থাকে।
৫। মনো বিকার বা উন্মাদ হয়ে যেতে পারে।
৬। শক লাগলে নিজেকে ক্ষত-বিক্ষত করতে পারে।
৭। পৃথিবীকে নশ্বর মনে হয়।
৮। নিজের জীবন মূল্যহীন মনে হয়।
৯। হতাশায় নিমজ্জিত হয়।
১০। এমনকি বিধাতার উপরও ক্লেশ জন্মায়।

আপনার করণীয়ঃ

১। নিজের মনের মত কাউকে খুঁজে নেওয়া।
২। পুরনো কোন স্থানে ঘুরতে যাওয়া।
৩। একা একা অথবা কাউকে নিয়ে চাইনিজ/রেস্টুরেন্টে যাওয়া।
৪। সিনেমার গান শোনা।
৫। কোন পবিত্র স্থান ভ্রমন করা।
৬। ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠ করা।
৭। মানুষ সৃষ্টি সেরা জীব, সে কথা ভুলে না যাওয়া।
৮। নিজেকে একজন মূল্যবান মানুষ ভাবা।
৯। অন্যকে সৎ উপদেশ দিতে পারেন।
১০। মানুষকে জীবন যুদ্ধে অবশ্যই অংশগ্রহন করতে হয়, তা বিশ্বাস করা।

আর নয় দুঃশ্চিন্তা, আর নয় অহেতুক পড়ে থাকা। এখনিই গর্জে ওঠার সময়। তোমার-আমার, আপনার প্রত্যেকের জীবনে আসতে এমনই দুঃসময়। তাই নিজে থেকে নিজে প্রস্তুত করুন। যুদ্ধে আপনার জয় অবসম্ভাবী।

শুভ হোক আপনার পথ চলা!!