Sunday, December 13, 2015

The Ability For Job- চাকরির যোগ্যতা বিচার!


কষ্ট করে মার্ষ্টাস পাশ করে আপনি আজ যোগ্যতাহীন, পথে পথে ঘুরে বেড়ানো পথিক। কতকগুলো চাকরিতে আপনি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা দিয়েছেন বটে কিন্তু চাকরি মেলেনি।
ভাবতে অবাক লাগে, আপনি এখনো যোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হননি।
বিনা খাটুনিতে মার্ষ্টাসের সার্টিফিকেট আপনার হাতে আসেনি। অথচ এখনো আপনি চাকরির পরীক্ষা দিয়েই চলেছে। ধন্যবাদ!
আশা থাকা ভাল।

বর্তমান সৃজনশীল পড়া-শুনাই উপযুক্ত এবং তারাই চাকরির সুফল ভোগ করবে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, ঘুষ কে খাবে?

মেধার বা যোগ্যতার বিচার হয়ঃ
১। লিখিত পরীক্ষার নম্বর দিয়ে। (শিক্ষাগত সার্টিফিকেট নগণ্য)
২। মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল দিয়ে। (মার্কশিট মূল্যহীন)
৩। টাকার বা মামার জোর দিয়ে। (দরিদ্র প্রার্থি এনজিও খোঁজ করুন)
৪। ৫বছরের অভিজ্ঞতা দিয়ে। (আপনি সবে পাশ করেছেন)

বোকার মত প্রশ্ন করি?

এত পড়ে হবে কি? পড়া তো শুরু হয় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার শেষে, তাই নয় কি?









Saturday, December 12, 2015

Love Is A Social Diseases - প্রেম-ভালবাসা একটি সামাজিক ব্যাধি!


যদি কেউ প্রেম নামক এই ব্যাধি থেকে মুক্ত হতে চান তবে সচেতন হোন।

কেন?
১। আপনি যাকে ভালবাসেন, তার পিতা-মাতা কি জানে? (না)
তাহলে তাঁরা মেনে নেবেন না। কারণ পিতা-মাতা চায় তাঁর সন্তানকে তাঁরা নিজে থেকে পাত্র-পাত্রী দেখে বিয়ে দেবেন। এ-ক্ষেত্রে পিতা-মাতার সাথে আপনার দ্বন্দ্ব বাঁধবে। শুরু হল পারিবারিক ফ্যাসাদ। পড়তে চাইলে আজই প্রেম পড়ুন! আমি বাঁধা দেব না, আর আমি বাঁধা দেওয়ার কে?

২। প্রেমকে স্বীকৃত করতে আপনাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে? (না)
তাহলে আপনাকে বাড়ি ছাড়তে হবে। আপনার বাড়িতে আপনার জায়গা নেই। আপনি পিতা-মাতার অবাধ্য বা তাদের মানেন না। মানে সংসারে অশান্তি শুরু হল। শুরু করল কে?

৩। আপনি বাড়ি থেকে বাইরে বা বিতাড়িত হতে চান? (না)
আপনাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হবে। নয়তোবা উঠতে দেওয়া হবে না। সময় থাকতে সর্তক হোন। কারণ আপনি চাইবেন প্রেমকে স্বীকৃতি দিতে। কিন্তু সমাজ বা পরিবার চাইবে না। আবার দ্বন্দ্ব শুরু হল।

৪। প্রেম আবেগের নয় কি? (না)
তাহলে খাইছেন ধরা। আপনার প্রেমকে সমাজ বা পিতা-মাতা আবেগ বলে গন্য করবে। এবং সত্যিই প্রেম আবেগের বা স্নায়ুর অনুভুতি। এই প্রেমের তাড়নায় যারা ঘর ছেড়ে দেয় তাদের অনেক কষ্ট করে জীবন চলতে হয়। বেশির ভাগ ছোট ছোট বা অল্প বয়সের ছেলে-মেয়েরা এই ধরনের কাজে লিপ্ত হয়।

৫। আপনি কি গোপনে গোপনে কাঁদতে বা কষ্ট পেতে চান? (না)
কত ছেলে বা কত মেয়ে আপনাকে ঠকাবে আপনি নেই জানেন না। আপনার সকল সম্মান হারাবেন তারপরও আপনি বলবেন আমার তো কিছুই হয়নি! আমি সুস্থ্য ও স্বাভাবিক আছি। কিন্তু না আপনি সব হারালেন। বুঝে উঠতে পারছেন না এখনো ক্ষতিটা কোথায় হচ্ছে? হচ্ছে আপনার চরিত্রের।
প্রস্তুত থাকুন আপনার সন্তানও একদিন এমন করবে। আপনি কি মানতে পারবেন? অবশ্য আপনার ব্যাপার।


প্রেম না করার সুফলঃ
উল্লেখিত কোন সমস্যা ঘটবে না।


আমি যাকে চিনিনা বা জানিনা তাকে কিভাবে বিয়ে করবো?
আপনার কথার পক্ষে ৫% এক মত। কিন্তু ১০০% সঠিক হবে বিয়ের পূর্বে আপনাদের দেখা স্বাক্ষাত যা পিতা-মাতা কতৃক আয়োজিত হবে তাতে উভয়পক্ষ মত বা রাজি হলে, নিজেরা প্রেম করতে পারেন বা জানা-শুনা করতে পারেন।
তবে এখানে একটা ভুল আছে!
বেশি জানা-শুনা করতে গেলে, কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের হবে। (মানে)
যদি একটু আধটু ভুল বা দোষ পাত্র-পাত্রীর থাকে তাতে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়ে থাকে।

অতএব পিতা-মাতাকে নিয়ে মেয়ে বা ছেলে দেখে পছন্দ করে বিয়ে করলে, টুকিটাকি সমস্যা সমস্যা বলে মনে হবে না। কারণ বাস্তবে প্রত্যেক মানুষের কিছুনা কিছু ত্রুটি থাকে যা মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু অবিবাহীত অবস্থায় তা জানতে পারলে কেউ মেনে নিতে পারে না।
বলে, তোমার এই সমস্যা- তোমার সেই সমস্যা, তোমাকে বিয়ে করবো না। এইবার বুঝন ঠেলা!
কান্নাকাটি ছাড়া পথ আছে? না নেই।

এই ব্যাধি চলতে থাকবে। আপনি নিজেকে পরিবর্তন না করলে এই ব্যাধি আপনার সন্তানের উপর পড়বে। আপনি বলতে আমি তাকেই বুঝাচ্ছি যিনি প্রেম করেছেন বা করছেনছেলে-মেয়ে উভয়কেই।



প্রেমে পড়লে বড় ভুলঃ
আপনি প্রেমে পড়লে দেখবেন, ছেলে অথবা মেয়ের কোন দোষ নেই। সাধু বা পবিত্র মানুষ সে। কিন্তু কেউ কেউ তো খারাপ ব্যাক্তি হতে পারে।
যদি বলেন আমি মানুষ বুঝি, তাহলে ভুল করবেন। প্রেমের ক্ষেত্রে মানুষের আসল রূপ চেনা যায় না। আপনি আবেগে অন্ধ হয়ে পড়বেন। আর সেও নিজেকে ভাল বলে দাবী করবে। (সত্যিকার অর্থে ভাল মানুষ থাকতেও পারে তবে খুঁজে পাওয়া কষ্টকর)। যারা ধরা খেয়েছেন তারাই আমার কথার মানে বুঝবে।


আমি চাই আপনি এই ব্যাধি থেকে মুক্ত হোন। আপনার ছোট ভাই-বোনদের বলুন এই অসুখে না পড়তে। তাতে আপনার পরিবার সুস্থ্য থাকবে।
নইলে আপনি প্রস্তুত হন আপনার সন্তানও সেই কাজ করবে। কারণ বেশির ভাগ ছেলে-মেয়ে শিক্ষা গ্রহণ করে পিতা-মাতা থেকে।


লেখাটি পড়ে ভাল লাগলে অন্যদের বলতে পারেন। কারণ আপনার সিদ্ধান্ত ভুল হলে তার বোঝা বইবে আপনারই কোন বোন/ভাই অথবা আত্মীয়।

ধন্যবাদ লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য!!!
অভিজ্ঞতা থেকে বলছি!







Thursday, March 26, 2015

How to Make Your Decision-কিভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন!

মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় “সিদ্ধান্ত গ্রহণ”। কিন্তু সেখানেই বিপদ ওৎ পেতে বসে আছে। কি জানি কোন সমস্যা এসে উপস্থিত হয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পর।

সত্যিই তাই! বিভিন্ন সমস্যা বা বিপদ আসতে পারে একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকলে। তাহলে কি উপায় হতে পারে এই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে!

কিভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে!

যেভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারেঃ

১। সিদ্ধান্তের বিষয়টি একটি কগজে লিখে ফেলুন।
২। আপনার মনের মত ৩টি সম্ভব্য সিদ্ধান্ত সিরিয়াল/ক্রমানুসারে লিখুন।
    (ক) --------------, (খ) --------------, (গ) ---------------
৩। যে সিদ্ধান্তটি কম ক্ষতিকর এবং বেশি উপকারী সেটি গ্রহণ করুন।
৪। আপনি জেনে-শুনে সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন তাই উপকার বা অপকারের জন্য প্রস্তুত থাকুন এবং মেনে নিন।

যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভুল হয় তবে কি করণীয়?

উপরের সকল বিষয়টি অথাৎ ১-৪ পর্যন্ত নিয়ম পুনরায় অনুসরণ করুন।
আপনার এভাবে নির্ধারিত সিদ্ধান্তটি অধিকাংশই সঠিক ও সফল হবে।



আপনার সিদ্ধান্ত হোক “মানব কল্যাণের”। তাহলে নিশ্চই সৃষ্টিকর্তা আপনার সহায় হবেন।



Tuesday, March 24, 2015

Never Alone Time Of Distress - দুঃসময়ে একা থাকবেন না!


কখনো কখনো মানুষ একাকা জীবন যাপন করে থাকে। তবে মানুষ স্বভাবতই সঙ্গপ্রিয়। তাই অবশ্যই তাকে কাউকে না কাউকে নির্ভর/বিশ্বাস করতে হয়। হতে পারে সে বন্ধু বা আত্মীয় অথবা বাবা-মা অথবা মনের মানুষ।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় একাকি থাকার কারণে অনেক শিশু তার নিজের পিতা-মাতাকেও মেনে নিতে পারে না। তারা ভেবে নিতে বাধ্য হয় যে, তাদের পিতা-মাতা নেই। আপনার শিশু এমন নয়তো?
খুব দ্রুত সিন্ধান্ত নিয়ে দেখুন। এমনটি হলে আজই তার সঙ্গ দিন, তাকে ভালবাসুন।


দুঃসময় একা থাকলে যা হতে পারেঃ

১। দুঃসময়ে একা একা থাকলে দুঃশ্চিন্তা বাড়ে।
২। নিজেকে অনেক ছোট মনে হয়।
৩। জীবনের প্রতি ঘৃণা জন্মে।
৪। আত্মহত্যার প্রবণতা থাকে।
৫। মনো বিকার বা উন্মাদ হয়ে যেতে পারে।
৬। শক লাগলে নিজেকে ক্ষত-বিক্ষত করতে পারে।
৭। পৃথিবীকে নশ্বর মনে হয়।
৮। নিজের জীবন মূল্যহীন মনে হয়।
৯। হতাশায় নিমজ্জিত হয়।
১০। এমনকি বিধাতার উপরও ক্লেশ জন্মায়।

আপনার করণীয়ঃ

১। নিজের মনের মত কাউকে খুঁজে নেওয়া।
২। পুরনো কোন স্থানে ঘুরতে যাওয়া।
৩। একা একা অথবা কাউকে নিয়ে চাইনিজ/রেস্টুরেন্টে যাওয়া।
৪। সিনেমার গান শোনা।
৫। কোন পবিত্র স্থান ভ্রমন করা।
৬। ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠ করা।
৭। মানুষ সৃষ্টি সেরা জীব, সে কথা ভুলে না যাওয়া।
৮। নিজেকে একজন মূল্যবান মানুষ ভাবা।
৯। অন্যকে সৎ উপদেশ দিতে পারেন।
১০। মানুষকে জীবন যুদ্ধে অবশ্যই অংশগ্রহন করতে হয়, তা বিশ্বাস করা।

আর নয় দুঃশ্চিন্তা, আর নয় অহেতুক পড়ে থাকা। এখনিই গর্জে ওঠার সময়। তোমার-আমার, আপনার প্রত্যেকের জীবনে আসতে এমনই দুঃসময়। তাই নিজে থেকে নিজে প্রস্তুত করুন। যুদ্ধে আপনার জয় অবসম্ভাবী।

শুভ হোক আপনার পথ চলা!!


Friday, January 16, 2015

Coconut trees are not cut, why? নারকেল গাছ কাটা উচিত নয় কেন?


নারকেল গাছ যথেষ্ট মূল্যবান। বহুবছর ধরে এ গাছ আমাদের ফল দেয়, যা অর্থনৈতিক দিক থেকে আমাদের সাহায্য করে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বাজ পড়লে তা এই গাছের উপর দিয়ে যায়। ফলে মানুষের জীবন রক্ষা হয়। কিন্তু যদি তুচ্ছ কারণে এ গাছ কেটে ফেলার সুযোগ সবাই পায় তাহলে মানুষকে অসুবিধায় পড়তে হতে পারে।


Tuesday, January 13, 2015

Kidney, Stone -কিডনি পাথর লক্ষণ ও প্রতিকার


Kidney
কিডনি বা বৃক্ক মানুষের দেহের গুরত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর একটিমানুষের দুটি কিডনি থাকে যেগুলোর প্রতিটি পিঠের দুই পাশে কিছুটা নিচের দিকে অবস্থিত কিডনি দেহের রক্তকে পরিশোধিত করে ও দেহ থেকে বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাসনে সাহায্য করেআর এই কিডনিরই বিভিন্ন সমস্যাগুলোর একটি হচ্ছে কিডনিতে পাথর জমে যাওয়াকিডনির পাথর মূলত মানুষের মূত্রে সৃষ্ট বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ থেকে সৃষ্টযখন মানুষের দেহে মূত্র কম উৎপন্ন হয় আর অনেক বেশি পরিমাণে বর্জ্য তৈরি হয়ে থাকে, তখন এই রাসায়নিক পদার্থগুলো জমে ক্রিস্টাল বা স্ফটিকের আকার ধারণ করে
কিডনি পাথরের প্রকারভেদ
কিডনির পাথর বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকা ও তাদের রাসায়নিক গঠনও ভিন্নআর এটির উপর ভিত্তি করেই নির্ধারণ করা হয় যে রোগীর কি ধরণের চিকিৎসা প্রয়োজন পৃথিবীর অন্তত ১০ ভাগ মানুষের জীবনে কিডনিতে পাথর জমার ঘটনা ঘটতে পারে চলুন জেনে নেয়া যাক কি কি ধরণের পাথর কিডনিতে তৈরি হতে পারে-
(১) ক্যালসিয়াম দিয়ে গঠিত কিডনি পাথর সবচেয়ে বেশি দেখা যায়আর এগুলো মূলত গঠিত হয় ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ ক্যালসিয়াম অক্সালেট কিংবা ক্যালসিয়াম ফসফেট দ্বারা
(
২) মূত্রে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে তৈরি হয় ইউরিক এসিডে তৈরি পাথর পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন মাছ বা মাংসতে প্রচুর পরিমাণে পিউরিন থাকেএই পিউরিনের কারণে মূত্রে ইউরিক এসিডের মারা বেড়ে যায়
(
৩) জিনগত সমস্যার কারণে সিস্টিন পাথর তৈরি হয় কিডনিতে
(
৪) সংক্রমিত কিডনি ও মূত্রথলি থেকে সৃষ্ট Struvite পাথর
লক্ষণ
কিডনিতে জমে যাওয়া পাথর আকারে খুব ছোট হলে বেশিরভাগে সময়ই সেটি মূত্রের সাথে বের হয়ে যায়মাঝারি থেকে বড় আকারের কিডনি পাথরগুলো কিডনি থেকে মূত্রনালির দিকে অগ্রসর হতে থাকে ও আটকে যায়এর ফলে পিঠের দুদিকেই প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়ধীরে ধীরে ব্যথা সারা শরীরে ছড়িয়ে যেতে থাকে ব্যথা ২০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়অন্যান্য লক্ষণগুলোর মাঝে আছে বমি, ডায়রিয়া, জ্বর, প্রস্রাবের সাথে রক্তপাত ও মূত্রত্যাগের সময় জ্বালাপোড়া করা

কিডনিতে পাথর তৈরি হয় কেন?
পরিবারের একজন সদস্যের কিডনিতে পাথর হলে সেই পরিবারের অন্য সদস্য বা তার বংশধরদের কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশিপ্রচুন পরিমাণ লবণ, চিনি কিংবা চর্বিসমৃদ্ধ খাবার কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয় বহুগুণেএছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, মূত্রথলিতে সংক্রমণ, স্থূলতা, অন্ত্রের বিভিন্ন রোগের কারণেও কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে
চিকিৎসা
কিডনির পাথর দূর করার কয়েকটি ধাপ রয়েছেপ্রথম ধাপ হচ্ছে, কিডনি, মূত্রথলি বা মূত্রনালিতে জমে থাকা পাথর অপসারণ করাদ্বিতীয় ধাপ, ব্যথার উপশম ঘটানোতৃতীয়, ভবিষ্যতে যাতে আবারো পাথর না জমতে পারে সেই বিষয় পদক্ষেপ নেয়াপাথর খুব ছোট হলে রোগীকে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে বলা হয় যাতে পাথরটি মূত্রের সাথে বেরিয়ে যেতে পারেব্যথা উপশমের জন্য ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করতে বলা হয়আর পাথর যদি বেশ বড় আকারের হয় সেক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার করতে হয়

প্রতিরোধ করুন
দৈনন্দিন খাদ্যাভাসে কিছু ব্যপার মেনে চললে খুব সহজেই কিডনিতে পাথরের সমস্যা এড়ানো যেতে পারেপ্রচুর পরিমাণে পানি পান করা হচ্ছে অন্যতম প্রধান উপায়এছাড়া কিডনিতে যদি ক্যালসিয়াম গঠিত পাথর তৈরি হয় সেক্ষেত্রে প্রতিদিনের খাবার থেকে লবণের পরিমাণ কমাতে হবে ২০০ মিলিগ্রাম করে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবেচর্বি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিতভিটামিন সি কিডনিতে পাথর সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে, তাই এই ভিটামিনটির ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করা উচিতএছাড়া শরীরের ওজন বেড়ে গেলে তা কমানোর ব্যপারে সচেতন হতে হবে

Friday, January 9, 2015

Boil/Bron/Acne Problem - ব্রণ সমস্যা ও প্রতিরোধ

ব্রণ
ব্রণ একটি সাধারণ সমস্যা। সাধারণত ১৬-১৭ বছর বয়সে এটি দেখা দেয় এবং অনেক বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। করো কারো অল্পদিনেই মিলিয়ে যায়। আবার বয়সের বিভিন্ন সময় এটি দেখা দিতে পারে।

কেন হয়
অ্যানড্রোজেন হরমোনের আধিক্যের কারণে সাধারণত হয়ে থাকেতেল বা ক্রিমের জন্যও ত্বকে ব্রণ হতে পারেএ ছাড়া কিছু বিশেষ ধরনের ওষুধের কারণেও হতে পারে
উপসর্গ
*
ব্রণে অল্প ব্যথা হতে পারে
*
চুলকানি এবং ক্ষত হতে পারে
*
লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে গেলে সিবাসিয়াস গ্ল্যান্ডের সিক্রেশন জমা হয়েও ব্রণ হয়
প্রতিরোধ
*
ব্রণের ক্ষতগুলোতে যাতে ইনফেকশন না হয় সে জন্য তাতে নখ দিয়ে খোঁটা যাবে না
*
মুখ পরিষ্কার রাখতে হবে
*
প্রসাধনী ব্যবহারের সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে
নিয়মিত প্রচুর শাকসবজি ও পানি খেতে হবে এবং নিয়মিত সাবান ও পানি দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে হবেএ ছাড়া ব্যায়াম করলে কিছু উপকার পাওয়া যায় এরপরও সমাধান না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করতে হবে

Wednesday, October 22, 2014

Khusita Aj Mon Metasay-(Pujar Gan-খুশিতে আজ মন মেতেছে)


খুশিতে আজ মন মেতেছে যাবো আমি সবই ভুলে
ঢাকের ওই বাদ্য শুনে মনটা আমার কেমন করে।
আজকে তোরা আমায় কেউ নজরবন্দি রাখিসনারে
আনন্দতে ভেসে যাবো নেইতো কোনো সীমানারে
প্রতিক্ষার অবসান এবার হল যে.....
মা এসেছে দেখ মা এসেছে
একটি বছর পরে আবার মা এসেছে
মা এসেছে দেখ মা এসেছে
মন্দিরেতে ঢাকের বাদ্য বেজে উঠেছে।
আজ প্রভাতে সবার আগে দেখবো আমার মাকে
দুঃখগুলো ঘুচে যাবে মায়ের মুখটা দেখে
পুষ্পমালা গেঁথেছি আজ দেবো মায়ের গলে
সুখেতে মন ভরে যাবে মায়ের আশীষ পেলে
মন্দিরেতে মায়ের সামনে করবো আরতি
মন্ত্র পড়ে পুরহিত মশাই জানাবে ভক্তি
ভাগ্য সবার খুলে যাবে শুভকামনায়
ছেলে-মেয়ে বুড়ো-বুড়ির আনন্দমেলায়


সুরকার, গীতিকার ও শিল্পী B Chandra
Studeo গীতাঞ্জলি
DownLoad









Tuesday, October 21, 2014

Abar Pujay SosurBari Jabo O Salika- এবার পূজায় শ্বশুর বাড়ি যাব ও শালিকা


এবার পূজায় শ্বশুর বাড়ি যাব ও শালিকা
তোর দিদিকে তুই দিবি কথা বলে ও শালিকা
কানেতে কানের সোনা বাহুতে সোনার বালা
খরচ দেবো যাবার ও শালিকা
তোর দিদিকে তুই দিবি কথা বলে ও শালিকা
মর্ডান কাটের ব্লাউজ দেবো হিল তোলা জুতা
লাল রঙের বেনারসি খাঁটি জরির সুতা
ও দিলাম তোমায় কথা ।।
প্রনাম দেবো মায়ের পায়ে, তোমাকে সাথে নিয়ে
ঘুরবো সারা বেলা ও শালিকা
তোর দিদিকে তুই দিবি কথা বলে ও শালিকা।
বলে দে-না তোর দিদিকে একটা গলার হার
কিনে দেবো এবার পূজায় মান করে না আর
যেন মান করে না আর ।।
আলতা পায়ে নূপুর পরে, দামী সোনার ঘড়ি হাতে
চল-বে হেলেদুলে ও শালিকা
তোর দিদিকে তুই দিবি কথা বলে ও শালিকা
এবার পূজায় বাপের বাড়ি পাঠবো যে তারে
মান অভিমান ভুলে যেন আমায় ক্ষমা করে
যেন আমায় ক্ষমা করে ।।
চোখে কাঁজল লিপিস্টিকে চোখে কাঁজল লিপিস্টিকে
যাবে বাপের বাড়ি সে ও শালিকা
তোর দিদিকে তুই দিবি কথা বলে ও শালিকা


গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী = B Chandra
Studio = গীতাঞ্জলি

DownLoad The Song
Abar Pujay SosurBari Jabo O Salika









Thursday, September 25, 2014

EiD & Pujar Special Song

পূজার স্পেশাল Song
1. Khusita Aj Mon Metasay. (DownLoad)
Puja Special Song
খুশিতে আজ মন মেতেছে ডাউনলোড

2. Abar Pujay SosurBari Jabo (DownLoad)
এবার পুজায় শ্বশুর বাড়ি যাব


EID Special Song

ঈদের স্পেশাল গান ডাউনলোড করুন
ডাউনলোড




Monday, May 19, 2014

গরম চা, কফি বা স্যুপ খেয়ে জিব পুড়ে গেলে যা করবেন।


আমাদের মুখগহ্বরের ঝিল্লি নিজে থেকেই এ ধরনের মৃদু পোড়া বা ছ্যাঁক লাগাকে প্রতিরোধ করতে পারেপ্রথমে জ্বালা করলেও তা অচিরেই সেরে যায়তবে গরম ছ্যাঁকা লাগার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি মুখে দিয়ে কুলি করলে আঘাত ও জ্বালা অনেক কমানো যায়পোড়ার মাত্রাও কমে আসেক্যানালগ ইন ওরাবেস নামের মলম একটি কটন বাড দিয়ে ধীরে ধীরে জিব ও ভেতরের পোড়া অংশে প্রলেপ দিয়ে দিলেও দ্রুত সেরে যায়

Monday, May 12, 2014

Male Impotency (টুথপেস্ট, সানস্ক্রিন ও সাবানে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব!)

একটু পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি থাকার জন্য মানুষ কত কিছুই না করেপরিপাটি জীবনযাপনের জন্য টুথপেস্ট থেকে শুরু করে সানস্ক্রিন ও সাবানের কোনো বিকল্প আছে বলে মনে হয় নাকিন্তু এসব প্রসাধনসামগ্রী আপনাকে শুধুই কি পরিচ্ছন্ন-পরিপাটি রাখে? নাকি ভেতরে ভেতরে ক্ষতি করছে? ভাবছেন টুথপেস্টের মতো প্রয়োজনীয় প্রসাধনসামগ্রীতে আবার ক্ষতির কী আছে? এমনটা ভাবলে ভুল করবেনবিশেষ করে পুরুষদের এমনটা ভাবাই যাবে নাটুথপেস্ট, সানস্ক্রিন ও সাবানের মতো প্রসাধনসামগ্রীগুলো অজান্তেই কিন্তু পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের জন্য অনেকটা দায়ীগালগল্প নয়, অনেক ঘেঁটেঘুঁটে এমন তথ্য দিয়েছেন গবেষকেরা একটি ইউরোপীয় সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাপত্র উদ্ধৃত করে আজ সোমবার দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এর এক খবরে বলা হয়, প্রসাধনী ব্যবহারে পুরুষদের খুব সাবধান হওয়া দরকার
জার্মানির বন শহরের টিমো স্ট্রাঙ্কার অব দ্য সেন্টার অব অ্যাডভান্স ইউরোপিয়ান স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চের দ্য ইএমবিও সাময়িকীতে ওই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব প্রসাধনসামগ্রী প্রস্তুতের সময় নন-টক্সিক রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, যা শুক্রাণু কোষকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করেআর ধীরে ধীরে তা পুরুষের বন্ধ্যাত্বের আশঙ্কাকে অনেক গুণ বাড়িয়ে তোলে
গবেষকেরা প্রথমে কয়েক বছর ধরে মরে যাওয়া শুক্রাণুর ওপর গবেষণা চালানপরে ওই গবেষণার ওপরে ভিত্তি করে তাঁরা পুরুষদের জন্য তৈরি করা প্রসাধনসামগ্রী নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছানএ ধরনের গবেষণা এটাই প্রথম
প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষকেরা খুব শিগগির ইউরোপের বাজার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে এ ব্যাপারে বিস্তারিত নথিপত্র উপস্থাপন করবেন এবং আবেদন জানাবেন যাতে পুরুষদের জন্য তৈরি করা প্রসাধনসামগ্রী বাজারে যাওয়ার আগে সেগুলোর বিষবিদ্যা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়যদি পরীক্ষায় শুক্রাণুর জন্য ক্ষতিকারক কোনো পদার্থের অস্তিত্ব মেলে, তবে ওইসব পণ্য ছাড় না করার সুপারিশ করবে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ
শুক্রাণু বিশেষজ্ঞ ও ডেনমার্কের কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের অধ্যাপক নেইলস স্কাক্কেবায়েক বলেন, ‘এই প্রথম আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহূত প্রসাধনসামগ্রীর সঙ্গে শুক্রাণুর জন্য ক্ষতিকারক এমন পদার্থের যোগসূত্র পেয়েছি
গবেষণায় দেখা গেছে, নিত্য ব্যবহার্য প্রসাধনসামগ্রীর প্রতি ৯৬টির মধ্যে ৩০টিতেই শুক্রাণুর জন্য ক্ষতিকারক পদার্থ রয়েছেএসব রাসায়নিক পদার্থ শুক্রাণুর ক্যাটস্পার আমিষকে নষ্ট করে দেয়এ আমিষটির ওপরে শুক্রাণুর মেয়াদ, গতিশীলতা এবং ডিম্বাণুর আবরণ ফেড়ে দেওয়ার সক্ষমতা নির্ভর করে
এডিনবার্গের দ্য মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল হিউম্যান রিপ্রডাক্টিভ সায়েন্সেসের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী রিচার্ড শার্প বলেন, গবেষণা নতুন এক দিকের উন্মোচন করলোনিত্য ব্যবহূত প্রসাধনসামগ্রী যে পুরুষদের প্রজননক্ষমতা ধ্বংসে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখে চলেছে, তা জানা সম্ভব হলো

সূত্র
prothom-alo

Monday, March 31, 2014

Teenage Depression- আমি অস্বস্তিতে ভুগি

সন্তানের ভাবনা

আমার বয়স ১২ থেকে ১৯-এর ভিতরে। আমার পরিবার আমাকে ভাল চোখে দেখে না। সবকিছু আমার ছোট ভাই-বোনদের বেশি বেশি দেয়। আমি বড় মেয়ে বলে আমাকে কম আদর করে। কেন আমি তাদের মত আদর-যত্ন পাব না?





অভিভাবকের ভাবনা

১।পরিবারের বড় যারা, অথা যারা অভিভাবক তারা মনে করেন সন্তান বড় হয়েছে তাই তারা বা তাদের দিকে বেশি নজর দেওয়ার দরকার নেই। অন্যরা যারা ছোট আছে তাদের প্রতি খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

২। তারা মনে করেন সে বড় হচ্ছে, ধীরে ধীরে বড় হবে আর যারা ছোট আছে তাদের মানুষ করা দরকার।

৩। ছোট তাই তাদের বেড়ে ওঠার জন্য বাড়তি খাবার দিতে হবে।

৪। পড়াশোনায় ভাল না করলেও ছোটদের ভাল বলতে হবে।

৫। চকলেট, আইসক্রিম, ভাল পোশাক এমনকি ডিম ভাঁজি, মাছের মাথা, মাংশ, ফল ইত্যাদি বেশি বেশি দিতে হবে।



যা প্রয়োজন

অভিভাবকের প্রতি:

১। আপনার একান্ত কর্তব্য আপনার সকল কন্যা সন্তানকে একই দৃষ্টিকোন থেকে দেখা।

২। প্রত্যেক সন্তানের দরকার বন্ধুশুলভ আচরশীল মা-বাবা। তাদেরকে স্নেহ-আদর দিতে হবে।

৩। ১২ থেকে ১৯ বছর বয়সী মেয়েদের দিকে বেশি বেশি খেয়াল রাখতে হবে। কারণ তারা অনেক কিছু জীবনে প্রথম দেখে থাকে। যেমন: মাসিক বা ঋতুস্রাব, ঘুমের ভিতর অদ্ভুত স্বপ্ন অথবা কেউ তাকে পিছন থেকে ধরার চেষ্টা করছে। এসকল বিষয় সম্পর্কে তাদের সচেতন করতে হবে।

৪। আপনার সন্তান যাতে ভালভাবে বড় হতে পারে সেদিকে আপনাকেই খেয়াল রাখতে হবে।



সন্তানের প্রতি:

১। তুমি দাদা-দাদী, নানা-নানী, দাদু-দিদিমা, ঠাকুরদাদা-ঠাকুরমা- মুরব্বিদের নিকট তোমার পিতা-মাতার নামে নালিশ করবে। বলবে, কেন তারা তোমার প্রতি এমনটি করছে?

২। নিজে নিজে সমাধান কর। প্রয়োজনে পিতা-মাতাকে বল, ওটা আমাকে দিতে হবে, যেটা আমার ছোট ভাইকে দিচ্ছ।

৩। তাদের বল, আমি কি পরগাছা? (লোকে ভাবছে আমি ছেলে মেয়েদের বেয়াদবী সেখাচ্ছি। তাহলে উত্তর দেবেন সেই ব্যক্তিগন--- পিতা-মাতারা সবই জানেন, তার ওটা-সেটা প্রয়োজন, তবে কেন দিচ্ছেন না তাকে সেগুলো? তাকে না দিয়ে তার চোখের সামনে ছোট ভাই-বোনকে দিচ্ছে। তারা কি অন্যায় করছে না?)

৪। প্রয়োজনে পিতা-মাতাকে মুখ ফুটে বল, মা/বাবা আমার এটা/ওটা লাগবে।( অবশ্যই বলতে হবে, যদি তারা বিবেকবান হয়ে থাকেন তবে অবশ্যই তোমার কথা বিবেচনা করবে।)

৫। মাসিক/ঋতুস্রাব এর পূর্বে কাপড়/ন্যাকড়া কাছে রাখবে। (যদি দামী জিনিস কেনা সম্ভব না হয়)

  

সন্তানের ভুল:

১। মেয়ে সারাদিন ঘুরে বেড়ায়। বেখেয়ালে থাকে। অথা লোকে তাকে খারাপ মেয়ে বলে আখ্যায়িত করে। যেমন: বাজে ছেলে-মেয়েদের সাথে মিশে, আড্ডা দেয়, রাত করে বাসায় ফেরে ইত্যাদি। তাদের উক্ত দাবি করা সাজে না।

২। তুমি আর্দশবান নও। পারিবারে কোন সাহায্য করনা।

৩। পিতা-মাতা তোমার কাছে যে প্রত্যাশা করে তা তুমি পুরণ কর না।

৪। অতিরিক্ত মোবাইল ফোনে গল্প/আড্ডা দাও।



পিতা-মাতার ভুল:

১। সন্তানের মানসিক/শারীরিক অক্ষমতার দিক বিবেচনা না করে তার উপর কোন কাজ চাপিয়ে দেওয়া।

২। সে ছোট কিন্তু তার মনের কথা বোঝার চেষ্টা করেন না।

৩। অবসর সময় তাকে কাছে ডেকে আদর করেন না।

৪। বাইরে বা বাজারে গেলে তাকে বলেন না, মামনি, তোমার কিছু লাগবে কি না?

৫। পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের কথা বলেন কিন্তু পড়ায় তার অসুবিধা হয় কি না জিজ্ঞাসা করেন না।

৬। সে যখন পড়ে তখন আপনারা/আশেপাশের কোন শব্দ/কোন ব্যক্তি তাকে ডিস্টাব/ বিরক্ত করে কি না দেখেন না।

৭। সন্তান পরীক্ষার সময় অসুস্থ্য ছিল তাই ফলাফল খারাপ হয়েছে অথচ আপনি তাকে গালি দিচ্ছেন/বকা দিচ্ছেন। (মনে রাখবেন, এমন বকাঝকা করার কারনে অনেক ছেলে-মেয়ে আত্মহত্যর পথ বেছে নেয়।)


এ বিষয়ে পরামর্শ:

১। কন্যা সন্তানেরা তাদের মনের কথা পিতা-মাতাকে বলতে সাহস পায় না তাই আপনাকে জিজ্ঞাসা করতে হবে, তার কোন ধরনের সমস্যা আছে।

২। আপনি (পিতা বা মাতা), সন্তানের পূর্বে পৃথিবীতে এসেছেন তাই আপনি জানেন এই বয়সে আপনারা কোন কোন ধরনের সমস্যা বা প্রাকৃতিক নিয়ম দেখেছেন বা উপলব্ধ করেছেন। সেই বিষয় সম্পর্কে তাদের কিছু ধারনা দেওয়া প্রয়োজন।

৩। সন্তানের অস্বাভাবিক আচনের প্রতি লক্ষ্য রাখুন।

৪। এসময় সন্তানের ভিতর ব্যক্তিত্ববোধ তৈরি হয় তাই আলাদা ঘর প্রয়োজন এবং দরজা-জানালা থাকতে হবে। অথবা একই ঘরে থাকলেও তাকে কিছুটা স্বাধীনতা দিতে হবে। যেমন: মেনস/ঋতুস্রাব/মাসিক এর সময় সে যাতে টয়লেট/বাথরুমে ভালভাবে যেতে পারে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ এসময় মেয়েরা লজ্জাবোধ করে। তারা মনে করে কেউ দেখে ফেলছে। হোকা না তারা মা-বাবা। তাদের অবশ্যই প্রাইভেট ব্যাপার থাকতে পারে।

৫। মেয়েরা এই বয়সে দোকান থেকে টিস্যুপেপার, পেন্টি অথবা মাসিক/ঋতুস্রাবচোষক টিস্যু (সেনোরা,হুইসপা ইত্যাদি) কিনতে পারে না, লজ্জা পায়। আপনি তাদের কিনতে বলুন (প্রয়োজনীয় টাকা প্রদান করুন)অথবা সবচেয়ে ভাল হয় আপনি যদি নিজে তাকে কিনে দেন। তাতে সন্তান বুঝতে পারবে তার প্রতি মা-বাবা যত্নশীল।

৬। একই খাবার সবাইকে দিবেন যাতে সন্তান আপনার মুখের উপর বলে না বসে, আমি কি তোমাদের সতমেয়ে

৭। একই খাবার না দিতে পারলে তাদের বলুন= আজকে তাকে দিচ্ছি কাল তোকে দেব। অথবা এ-টুকু নাও! সে বা তারা ছোট, ওরা না হয় একটু বেশি খেল! এভাবে বুঝিয়ে বলুন।


 ডা: বিধান চন্দ্র মন্ডল